ঢাকাশুক্রবার , ১ মে ২০২০
  1. ইসলাম
  2. ছোট গল্প
  3. বই
  4. বিজ্ঞান-ও-প্রযুক্তি
  5. বিনোদন
  6. বিশ্বকোষ
  7. ব্যবসা
  8. ভিডিও
  9. ভ্রমণ
  10. মার্কেটিং
  11. মোটিভেশনাল স্পিচ
  12. স্বাস্থ্য বিষয়ক
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টিকা বা ভ্যাকসিন কী | কিভাবে কাজ করে

প্রতিবেদক
Yeasin Ahmad
মে ১, ২০২০ ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মোহাম্মদ আলামিন হৃদয়:

নভেল করোনাভাইরাস চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রায় সব দেশ ও অঞ্চলে। এতে প্রতিনিয়ত মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, এবং বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা এতো পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে যে, সারা বিশ্বজুড়ে ৩৫ টি ওষুধ সংস্থা এবং একাডেমিক প্রতিষ্ঠান নভেল করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য ঘাম ঝরাচ্ছে। এই অবস্থায় পৃথিবীর শত কোটি মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন করোনা ভাইরাসের টিকা বা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের কাজ কতদূর?


টিকা বা ভ্যাকসিন কী এবং কিভাবে কাজ করে?
সাধারনভাবে আমরা যখন করোনা ভাইরাসের টিকা বা ভ্যাকসিন  নামটা শুনি তখন আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে টিকা আসলে কি এবং কিভাবে কাজ করে। 
টিকা বা প্রতিষেধক হল এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ বা মিশ্রণ যা অ্যান্টিবডি তৈরী হওয়ার প্রক্রিয়াকে উত্তেজিত করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 


টিকা তৈরি করার প্রক্রিয়াঃ 
একটি নতুন টিকা বা  ভ্যাকসিন বাজারে  নিয়ে আসার প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল এবং দীর্ঘ। একটি নতুন ভ্যাকসিন পুরোপুরি নিখুঁত হতে বেশ কয়েক মাস সময় লাগে। আজ আমরা যে ভ্যাকসিনগুলির উপর নির্ভর করি সে গুলো বাজারে আসতে প্রায় ১০/১৫ বছর সময় নিয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, টিকা তৈরি করার প্রক্রিয়াটি এতো দীর্ঘ এবং ক্লান্তিকর কেন? উত্তর হচ্ছে, কোন রোগের টিকা বা ভ্যাকসিন আবিস্কারের পর এই কাজটি তিনটি পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। যেমন,

প্রথম পর্যায়ে,
 ভ্যাকসিনটি কয়েক ডজন স্বাস্থ্যকর প্রাপ্তবয়স্ক প্রার্থীদের মধ্যে পরীক্ষা করা হয়।
দ্বিতীয় পর্যায়ে,
ভ্যাকসিনটি  বেশি প্রভাবিত আক্রান্ত  অঞ্চলে কয়েক শতাধিকের উপর পরীক্ষা করা হয়।
তৃতীয় পর্যায়ে,
ক্ষতিগ্রস্থ অঞ্চলে কয়েক হাজার আক্রান্ত লোকের উপর এই ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হয়।
প্রতিটি পর্যায় একেকটি ধাপ, আর একেকটি ধাপ পার করতে প্রায় সময় লাগে ৭/৮ মাস। এই ধাপ গুলো পার করার পর  ভ্যাকসিনটি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হয়। তারপর ভ্যাকসিনটি ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য প্রেরণ করা। যার জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সাথে সাথে প্রচুর পরিমাণে তহবিল প্রয়োজন। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে ভ্যাকসিন তৈরির গল্পের শেষ নেই।


তাহলে কি আমাদের জন্য কোন সুখবর নেই?
সুখবর হলো এই যে সিইপিআই ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি  ভ্যাকসিন তৈরি করা সংস্থাকে অর্থ সরবরাহ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে,
(১) ইনোভিও ফার্মাসিউটিক্যালস:
DNA ভিত্তিক ভ্যাকসিন তৈরি করতে করতে চেষ্টা করছে। 
(২) গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন:
কাজ করছে একটি  “মলিকুলার ক্ল্যাম্প” ধরনের  ভ্যাকসিন তৈরি করতে।
(৩) মোদারনা: 
মার্কিন সংস্থা কাজ করছে RNA ভিত্তিক ভ্যাকসিন তৈরি করতে ।
যেহেতু সংস্থা গুলো ভ্যাকসিন আবিস্কারের জন্য কাজ করে চলেছে। আশা করা যায় মানবজাতির জন্য তারা কোন সুখবর বয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ। ততদিন আমাদের একটু সাবধানে চলাফেরা করতে হবে। ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। এবং সামাজিক দুরত্ব মেনে চলতে হবে।

Facebook Comments