সচেতনতা আর দেশাত্ববোধ’ই হতে পারে উন্নয়নের চাবিকাঠি!

ইনফরমেশন টেকনোলোজি নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আমাদের কিন্তু মেকানিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস এর ইনোভেশনগুলো নিয়েও অনেক বেশী জোড় দেয়া প্রয়োজন। চায়নার দিকে তাকালেই চোখের সামনে জলন্ত উদাহরণ আমরা দেখতে পাই। বিশ্বে ইলেক্ট্রনিজ, মেশিনারিজ, গেজেটস, পার্টস, স্টেশনারিজ, খেলনা ইত্যাদি রপ্তানির দিক থেকে দেশটি কত সফলভাবে এগিয়ে আছে।

লাস্ট ১৫ বছরের মধ্যে ওয়ার্ল্ডে ওয়েব, ডিভাইস, গেজেটস ইত্যাদি সবকিছুতেই একটা রেপিড চেঞ্জ এসেছে। কিন্তু সেদিক দিয়ে গাড়ি, জাহাজ, এরোপ্লেন, স্পেসশিপ এসবের মধ্যে লাক্সারি আর অত্যাধুনিক অটোমেটেড সিস্টেম টেকনোলোজি গুলো এড হওয়া ছাড়া কাঠামো দিক দিয়ে খুব একটা পরিবর্তন কিন্তু আসেনি। আমার মনে হয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারিজ, মেকানিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক্স এই সেক্টর গুলোর ডিজাইন নিয়ে আরো বেশী কাজ করা উচিৎ। এ ক্ষেত্রে আমরা দেশের মধ্যেই গাড়ি, জাহাজ, এরোপ্লেন এসব রিডিজাইন করার মাধ্যমে কিভাবে সহজলভ্য এবং ইকো ব্যালেন্সড একটি সোশ্যাল সিস্টেম তৈরি করা যায় সেটা নিয়ে গবেষণার কথাও আমরা চিন্তা করতে পারি। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, দুরুত্ত যেদিন থেকে কমে এসেছে সেদিন থেকে মানবসভ্যতার মধ্যে একটা বিরাট পরিবর্তন সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের বিপুল পরিমান ওয়েস্টেজ রিসাইকেল করে এবং এভেইলেবল সহজ দেশজ সম্পদকে টেকনোলোজিতে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেটা নিয়ে রিসার্চার’রা কাজ করতে পারে।

আমার যেটা মনে হয় দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনযাপনের উন্নয়ন সাধনের জন্য ব্যাপকভাবে ইকো সিস্টেম নিয়ে কাজ করা অত্যাবশ্যকীয়। খাবারে ভেজাল মিশিয়ে, মশ্লাপাতি কম দিয়ে ভেজাল উপায়ে বিল্ডিং বানিয়ে, মানুষ ঠকিয়ে, দুর্নিতি করে দ্রুত টাকাকড়ি কিভাবে বানানো যায় সেই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনে উতসাহী না হয়ে বরং বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বসবাসযোগ্য একটি দেশ কিভাবে আমরা তৈরী করতে পারি সেটা নিয়ে ভাবার সময় চলে এসেছে। যদি মানুষই না বেঁচে থাকে তাহলে এসব অর্থকরী দিয়ে কি হবে?

তাই আমাদের মধ্যে সবার আগে দেশাক্তবোধ তৈরী হওয়া প্রয়োজন। কারন সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া বিশাল উন্নয়ন সম্ভব না। আর এই যাত্রাপথে রাজনীতিবিদ, সায়েন্টিস্ট, টেকনোলজি স্পেশালিষ্ট, নারীপুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রেণীর শ্রমিক এবং কর্মকর্তা সবাইকে মিলেমিশে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে, তবেই সম্ভব সমৃদ্ধশালী একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *